নলছিটিতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ফসল ও মাছের ঘের

0

মিলন কান্তি দাস :   ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে নলছিটি উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন না হলেও ফসল,মাছের ঘের,পানের বরজ’র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার ইসরাত জাহান মিলি জানান উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে আনুমানিক প্রায় ৮৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ হেক্টর জমির আউশের বীজতলা, ৫২ হেক্টর সবজি,২০ হেক্টর কলা,৮৩ হেক্টর তিল,১০ হেক্টর পানের বরজ,১১ হেক্টর ভুট্টা,৮ হেক্টর চিনাবাদাম ও বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সব মিলিয়ে আনুমানিক ৮৬ লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। অপর দিকে উপজেলা মৎস্য অফিসার সাইয়েদা জানান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৫৫০টির মতো ঘের ও পুকুরের মাছ বের হয়ে গেছে। আনুমানিক ক্ষতি প্রায় ১কোটি টাকা। বিভিন্ন স্থান থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মাছের ঘের ও পুকুর মালিকরা তাদের ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে পৌরসভার নাঙ্গুলী এলাকার তোফাজ্জল জোমদ্দার জানান তার ঘেরের সব মাছ পানির তোরে ভেসে গেছে। ওই এলাকার কামাল মৃধা, আলমগির সরদার ও নাছির মাস্টার’র ঘেরের মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শংকরপাশা এলাকার নজরুল ইসলাম নয়ন জানান তার ৮০ কুড়া জমির ঘেরে ২৫ লাখ টাকার মতো খরচ করেছিলেন। তার ঘেরের বেশিরভাগ মাছ বের হয়ে গেছে। সুবিদপুর ইউনিয়নের ইছাপাশা গ্ৰামের আমির সোহেল মল্লিকের মাছের ঘের ,কুশঙ্গল ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ডহরা গ্রামের ৫/৬টি ঘেরের মাছ ঘের থেকে বের হয়ে গেছে। পলাশ হাওলাদার’র পুকুর সহ আশপাশের পুকুরের মাছ বের হয়ে গেছে। কুলকাঠির মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁ, মোঃ কুদ্দুস খলিফা মাছ বের হয়ে গেছে। মোল্লারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ কামদেবপুরের গোলাম সরোয়ারের মাছের ঘেরের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে গাছপালা ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

Share.

Leave A Reply