রাজাপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ ও বিচার চাওয়ায় বাবাকে কুপিয়ে জখম

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠির রাজাপুরের পুটিয়াখালি গ্রামে অষ্টম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় এবং ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ওই ছাত্রীর পিতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোববার গভীর রাতে ধর্ষণ ও মারামারির অভিযোগে ৪ জনকে আসামি করে দুইটি মামলা দায়ের করেন ওই ছাত্রীর চাচা মো. সাইদুল ইসলাম। সাইদুল ইসলাম ঝালকাঠি সদর থানার ছত্রকান্দা এলাকার মৃত খোরশেদ আলী আকনের ছেলে। ওই ছাত্রী পুটিয়াখালি স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। মামলা সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার পুটিয়াখালী এলাকার মো. শাহ জামান হাওলাদারের ছেলে মো. বেল্লাল হাওলাদার (২৫), সহযোগী তাওহীদ মোল্লার সহায়তায় স্কুলছাত্রীকে গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পাশের কলা বাগানে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য ছাত্রীকে ভয়ভিতি দেখায় তারা। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ছাত্রীর বাবা ২৯ মে রাতে অভিযুক্ত বেল্লালসহ তার পরিবারকে ডেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন এবং বিচার চাওয়ায় তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় অভিযুক্তর বাবা মো. শাহ জামান হাওলাদার ও রাজাপুর সদরের মৃত মেনাজের ছেলে মো. সিদ্দিক এসে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে অভিযুক্তরা হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা আহতকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। রাজাপুর থানা ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভাইকে মারধর ও ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রীর চাচা সাইদুল ইসলাম বাদি হয়ে ৪ জনকে আসামি করে ২টি মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষণ মামলায় বেল্লাল ও (২৫), তাওহীদকে আসামী করা হয়েছে। ওসি জানান, ছাত্রীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে, তবে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

Share.

Leave A Reply